Bangla News @24x7 Headline

Bangladeshi all newspaper updated news

দিল্লি গণধর্ষণের প্রধান অভিযুক্ত রাম সিংয়ের আত্মহত্যা

Published on: Sunday, March 10, 2013 //
ঢাকা: দিল্লির বহুল আলোচিত চলন্ত বাসে গণধর্ষণের ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত আসামি রাম সিং আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার ভোরে দিল্লির অদূরে তিহার কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় নিজের গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কারা কর্তৃপক্ষ জানায় স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৫টায় রামসিংকে তার কক্ষে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় খুঁজে পাওয়া যায়। এরপর তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সোমবার ওই গণধর্ষণ মামলার শুনানির জন্য রাম সিংকে আদালতে হাজির করার কথা ছিলো। তার আত্মহত্যার ঘটনাটি প্রথম চোখে পড়ে এক কারারক্ষীর। একটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায় সম্প্রতি আফজাল গুরুর ফাঁসির ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলো রাম সিং। তবে তার আত্মহত্যার ঘটনাটি একজন ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত করবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রাম সিং দিল্লির ওই চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার ছয় অভিযুক্তের একজন। যে বাসে ২৩ বছর বয়সী ওই মেডিকেল শিক্ষার্থী তরুণীকে তার ছেলে বন্ধুর সামনেই গণর্ধষণ করা হয় রাম সিং ছিলেন তার চালক। তরুণীকে গণধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হয়নি রামসিং ও তার সহযোগীরা। ধর্ষণ শেষে ব্যাপক মারধোর করে চলন্ত বাস থেকে ওই তরুণীকে ছুড়ে ফেলে তারা। মারাত্মক আহত অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করলেও অবশেষে ডিসেম্বরের ২৯ তারিখে সিংগাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ওই তরুণী।

হকিং ও আইনস্টাইনের চেয়ে এগিয়ে নেহা

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম হকিং  ও আইনস্টাইনের চেয়ে এগিয়ে নেহা
নেহা রামু। বয়স সবে ১২, নেহার আইকিউ স্কোর ১৬২।। প্রসঙ্গত, নেহার বাবা ভারতীয় নাগরিক। তবে নেহার পরিবার সাত বছর বয়সে ব্রিটেনে পাড়ি জমান। পেশায় তিনি ডাক্তার। নেহা প্রসঙ্গে তার বাবা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, স্কুলেই নেহার বুদ্ধির প্রমাণ আমরা দেখতে পেয়েছি। সব পরীক্ষায় নেহা সর্বোচ্চ নম্বর ঘরে তোলে। যা দেখে আমি বরাবরই গর্বিত হতাম। নেহার মা জয়শ্রী বলেন, যুক্তরাজ্যের স্কুলে এসে আমি খুব চিন্তায় ছিলাম যে আমার মেয়ে এখানে খাপ খাওয়াতে পারবে কি না। কিন্তু পরে দেখি সে চমৎকারভাবে নিজের প্রতিভার প্রকাশ ঘটিয়ে চলেছে। এতে তার কোনো সমস্যাই আমার চোখে পড়েনি। নেহা মেনসার আইকিউ পরীক্ষায় অংশ নেয়। অন্য সব প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ার গৌরব অর্জন করে। বড় হয়ে বাবার মতো ডাক্তার হতে চায় নেহা। মাত্র ১২ বছর বয়সে স্যাট (ঝঅঞ) পরীক্ষায় ৮০০ নম্বরের মধ্যে ৭৪০ পেয়ে সবাইকে বিস্মিত করে দেয়। এটি যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় পড়–য়া শিক্ষার্থীর চেয়েও বেশি নম্বর বলে জানিয়েছে মেসা। যাকে নিয়ে এতো আলোচনা। সেই নেহা নিজের সম্পর্কে একটি ব্লগে উল্লেখ করে, আমি নিজেকে কোনো জিনিয়াস হিসেবে দেখতে চাই না। সত্যি! আমি একটা আইকিউ পরীক্ষায় কিছু নম্বর পেয়ে বিশ্বের জ্ঞানী ব্যক্তি হতে পেরেছি বলে তো মনে হয় না। আমি খুব ছোট। এখনও অনেক কিছু শেখার এবং জানার আছে। বন্ধুরাও মনে করছে, আমি মনে হয় বিশ্বের সব জ্ঞান মাথায় নিয়ে বসে আছি। এ ধারণাটি একদম ভুল। তবে এটা বুঝতে পেরেছি আমার ওপর সবার অন্যরকম আস্থার জায়গা গড়ে উঠেছে। একজন মানুষের মেধা থেকে কোনো লাভ নেই। যদি না সে মেধা পৃথিবীর কোনো কল্যাণে আসে। সৃষ্টিকর্তা আমাকে বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। আমি সে ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করতে চাই। সময়কে সে ক্ষমতা দিয়ে বেগবান করতে চাই। বাবা মা সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। একটি ঘটনা খুব মনে পড়ছে। নাচের স্কুলে মা ভর্তি করিয়েছিলেন। কিন্তু আমার নাচতে একদম ভালো লাগতো না। আমি সাঁতার শিখতে চেয়েছিলাম। মা বিষয়টি জানতে পেরে মুহূর্তেই নাচ বন্ধ করে সাঁতার ক্লাসে ভর্তি করিয়ে দিলেন। এতে করেই বোঝা যায়, তারা আমার মতামতকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। এজন্য তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।
Subscribe to our RSS Feed! Follow us on Facebook! Follow us on Twitter! Visit our LinkedIn Profile!